1

রোদের চিঠি

  (৫) ম্যাথ কোচিং শেষ করে নিশা সময় মতো বাসায় ফিরে এলো। কিন্তু বুক ঢিপঢিপ করতে লাগলো, মনে হতে লাগলো, এখনি মা বা বড়আপা জিজ্ঞেস করবে, কি রে এত দেরী হলো কেন? এটা মানুষের অদ্ভুত স্বভাব, কোন দোষ করলে, নিজের মনেই অশান্তি লাগে! ধূর কি যে দরকার ছিল ওই রাস্তায় যাওয়া। মা একবার ডাকলেন, নিশা… […]

বিস্তারিত
1

রোদের চিঠি

(৩)   পার্টি অফিসের সামনে আসিফ এসে বাইক থামালো। পথে দেরী হয়েছে একটু, সিনিয়র নেতা আজগর ভাইয়ের সাথে দেখা হয়েছিল। কালু এসে দরজা খুলেছে আগেই। আসিফ বাইকটা সাইড করে রেখে ঘড়ি দেখলো সাড়ে নয়টা বাজে। নিশা চলে গেছে এতক্ষণে , আসিফের রাগ লাগছে, অকারণে একটা ঝাড়ি লাগালো কালুকে। তারপর বললো, “মন্টুর দোকান থিকা নাস্তা নিয়ে […]

বিস্তারিত
1

রোদের চিঠি

  (১)   শহরের শেষ মাথায় চওড়া লাল ইটের রাস্তাটা ,সামনে তাকালে মনে হয় কোনদিন যেন শেষ হবে না। কিন্তু রাস্তাটা শেষ হয়েছে চৌধুরী পুকুর পাড়ে। নামেই পুকুর, আসলে ওটা দিঘির মতো বড়, লম্বায় এপার ওপার দেখা যায় না। পুকুরের ঘাট চৌধুরী সাহেবরাই বাঁধিয়ে দিয়েছেন। ঘাট লাগোয়া দুটে বকুল ফুলের গাছ আছে। এই লাল ইটের […]

বিস্তারিত
2

বিষাদ 

  আমি এসেছি একটা বিয়েবাড়িতে। নাহ, ঠিক বিয়ে বাড়ি বলা এখন ঠিক না, কমিউনিটি সেন্টার । শহরে বিয়ে বাড়ির উৎসবের আমেজ এখন কমিউনিটি সেন্টারে সীমাবদ্ধ। দুয়েকদিন বাসায় গেস্ট থাকলেও রিসিপশনের পরের দিন বলতে গেলে বাসা ফাঁকা হয়ে যায়। অথচ আমাদের ছোটবেলায় বিয়ে মানে একমাস ধরে বাড়িতে মেহমান থাকবে। খালা, মামা, ফুপু, চাচীরা বাড়ি ভরা থাকবেন […]

বিস্তারিত

মাধবীলজে এক সন্ধ্যায়

  শহরের শেষ মাথায় একটা সাদা বাড়ি আছে, মাধবীলজ। ঠিক শেষ মাথায় নয়, আরো কিছুটা দূরে। বাড়িটার চারপাশটা উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। সামনে থেকে দোতালার ঝুল বারান্দাটা স্পষ্ট দেখা যায় । নদী খুব বেশি দূরে নয় এখান থেকে। জায়গাটা ছবির মত সুন্দর। মানুষ বিকেলে ঘুরতে যায় ওইদিকে। বাড়ির সামনে দিয়ে হেটে নদী পর্যন্ত যাওয়া যায়। […]

বিস্তারিত
4

বারান্দার গল্প

  ভাতটা চুলায় বসিয়ে দিয়ে বারান্দায় এসে দাড়ায় তমা। আজ বেশি কিছু রান্নার নেই। ডাল রান্না হয়ে গিয়েছে, শুধু তেলে ফোড়ন দিতে হবে। ভাতের মধ্যে দুটো মাঝারি সাইজের আলু দিয়েছে, সবুজ আলুভর্তা খুব বেশি একটা খায় না। কাঁচামরিচ পেয়াজ কাটা আছে, খেতে বসার আগে দুজনের জন্য একটা ডিম ভেজে নিলেই হবে। বৃষ্টি আসবে হয়তো, আকাশে […]

বিস্তারিত

ভালোবাসার গল্প

  সালেক মিয়া জ্বর হয়ে দুই দিন ধরে কাজে যেতে পারছে না৷ সে রিক্সা চালায়, কাজে না গেলে ইনকাম বন্ধ, খাওয়াও জুটবে না!! ক্ষুধায় কাহিল লাগছে। সকালে কাজে যাওয়ার সময় সুফিয়া উকি দিয়ে দেখে গেছে। সে পাঁচ বাসায় ছুটা কাজ করে, রান্না করে দেবার সময় নাই ! আর যে মেজাজ, চটাং চটাং করে কথা বলে […]

বিস্তারিত

ফেরা

  শুভমিতা যখন রায়চৌধুরী বাড়ির সামনে এসে দাড়ায়, তখন দুপুরের রোদের তেজ কমেছে। বাড়িটা জরাজীর্ণ হয়ে গিয়েছে একেবারেই। শুভমিতার পূর্বপুরুষদের বাড়ি, শুভমিতার বুকের মধ্যে একটা কাঁপন লাগে, কোথাও যেন একটা চিনচিনে ব্যাথা নাড়া দেয়। বাড়ির সামনে সাইনবোর্ড লাগানো ‘বাহাউদ্দীন ম্যানসন’। পাথরে খোদাই করা ‘রায়চৌধুরী বাড়ি’ এর উপর জোর করে বসানো হয়েছে যেন। বাড়ির সামনের গেটটা […]

বিস্তারিত

অতিথি

  শায়লা দাঁড়িয়ে ছিলো বাসার সামনে। আরিফ নতুন বাসায় মালামালগুলো তুলছিলো। আরিফের সাথে সাহায্য করছে দুজন ভ্যানওয়ালা, তবে শায়লাদের আসবাবপত্র খুব বেশি নয়। সংসারও বেশিদিনের নয়। এই বাসাটা মেইনরোডের একদম সাথেই। এখান থেকে আরিফ অফিসের বাস ধরতে পারবে সহজেই। তাছাড়া মেইনরোড সাথে হওয়ায়, নিরিবিলি হবে না কখনো। ওদের ফ্ল্যাটের সামনে লম্বা বারান্দা। শায়লা ভাবছিল, এই […]

বিস্তারিত