2

রোদের চিঠি

  (১১) আসিফ মাঠে গিয়ে দেখলো মাঠ প্রায় ফাঁকা, অসংখ্য পুলিশ মানুষকে বের করে দিচ্ছে। স্টেজ ফাঁকা, দলের ছেলে পেলে কাউকে দেখলো না। কোথায় গেলো সব! এখন কি নেতার বাসায় যাবে, কি করা উচিৎ এখন! নাকি হাসপাতালে যাবে! স্টেজ থেকে নেমে নেতা সোজা নিজের গাড়ি করে বাসায় চলে গিয়েছেন। তিনি ভাবছেন, একটা বড় ভুল হয়েছে। […]

বিস্তারিত
1

রোদের চিঠি

  (১০) নিশার বাসায় যাওয়ার অজুহাত ঠিক করতে আসিফের বেশি সময় লাগলো না। ফাইনাল পরীক্ষা কবে হতে পারে, এডমিট কবে আসবে এগুলো জিজ্ঞেস করতে স্যারের কাছে যাওয়াই যায়। স্যার শিক্ষক হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। আসিফ সাথে নুরুলকে নিলো, নুরুল বছর খানেকের জুনিয়র। আর আসিফের এক বছর ড্রপ হয়েছে ইলেকশনের জন্য। নিশাদের বাসাটা সুনন্দা আবাসিকে। প্লট করে […]

বিস্তারিত

রোদের চিঠি

  (৮) আজ সকাল থেকে আবহাওয়া ভালো না। সকালে নিশা স্কুলে গেলো না। বিকেলে মডেল টেস্ট দিতে যাবে শাপলা কোচিং-এ। আসিফ নয়টার দিকে এসেও নিশাকে দেখতে পায়নি। এত আবহাওয়া খারাপ, বৃষ্টি আর ঝড়ো হাওয়া। নিশার আপু বললো, আজ এই আবহাওয়ার কিন্তু কেউ আসবে না রে নিশা। তোর যেতে হবে না। নিশার যেতেই হবে। সেদিনের পর […]

বিস্তারিত

রোদের চিঠি

  (৭) নিশা, এই নিশা, আমার সাথে একটু চল না- আপু ডাকছে নিশাকে। নিশা অঙ্ক করছিলো। আজ স্কুলে যাওয়া হয়নি৷ বিকেলে পরীক্ষা আছে স্যারের বাসায়। -কোথায় আপু, আমার পরীক্ষা আছে, আমি এখন যাবো না। -চল না রে, কাল একটা কানের দুল কিনেছিলাম, কসমেটিকস জোন থেকে, সেটা দেখি ভাঙা। আজকে নিয়ে না গেলে পাল্টে দিতে চাইবে […]

বিস্তারিত
1

রোদের চিঠি

  (৫) ম্যাথ কোচিং শেষ করে নিশা সময় মতো বাসায় ফিরে এলো। কিন্তু বুক ঢিপঢিপ করতে লাগলো, মনে হতে লাগলো, এখনি মা বা বড়আপা জিজ্ঞেস করবে, কি রে এত দেরী হলো কেন? এটা মানুষের অদ্ভুত স্বভাব, কোন দোষ করলে, নিজের মনেই অশান্তি লাগে! ধূর কি যে দরকার ছিল ওই রাস্তায় যাওয়া। মা একবার ডাকলেন, নিশা… […]

বিস্তারিত
1

রোদের চিঠি

(৩)   পার্টি অফিসের সামনে আসিফ এসে বাইক থামালো। পথে দেরী হয়েছে একটু, সিনিয়র নেতা আজগর ভাইয়ের সাথে দেখা হয়েছিল। কালু এসে দরজা খুলেছে আগেই। আসিফ বাইকটা সাইড করে রেখে ঘড়ি দেখলো সাড়ে নয়টা বাজে। নিশা চলে গেছে এতক্ষণে , আসিফের রাগ লাগছে, অকারণে একটা ঝাড়ি লাগালো কালুকে। তারপর বললো, “মন্টুর দোকান থিকা নাস্তা নিয়ে […]

বিস্তারিত
1

রোদের চিঠি

  (১)   শহরের শেষ মাথায় চওড়া লাল ইটের রাস্তাটা ,সামনে তাকালে মনে হয় কোনদিন যেন শেষ হবে না। কিন্তু রাস্তাটা শেষ হয়েছে চৌধুরী পুকুর পাড়ে। নামেই পুকুর, আসলে ওটা দিঘির মতো বড়, লম্বায় এপার ওপার দেখা যায় না। পুকুরের ঘাট চৌধুরী সাহেবরাই বাঁধিয়ে দিয়েছেন। ঘাট লাগোয়া দুটে বকুল ফুলের গাছ আছে। এই লাল ইটের […]

বিস্তারিত
2

বিষাদ 

  আমি এসেছি একটা বিয়েবাড়িতে। নাহ, ঠিক বিয়ে বাড়ি বলা এখন ঠিক না, কমিউনিটি সেন্টার । শহরে বিয়ে বাড়ির উৎসবের আমেজ এখন কমিউনিটি সেন্টারে সীমাবদ্ধ। দুয়েকদিন বাসায় গেস্ট থাকলেও রিসিপশনের পরের দিন বলতে গেলে বাসা ফাঁকা হয়ে যায়। অথচ আমাদের ছোটবেলায় বিয়ে মানে একমাস ধরে বাড়িতে মেহমান থাকবে। খালা, মামা, ফুপু, চাচীরা বাড়ি ভরা থাকবেন […]

বিস্তারিত

মাধবীলজে এক সন্ধ্যায়

  শহরের শেষ মাথায় একটা সাদা বাড়ি আছে, মাধবীলজ। ঠিক শেষ মাথায় নয়, আরো কিছুটা দূরে। বাড়িটার চারপাশটা উঁচু প্রাচীর দিয়ে ঘেরা। সামনে থেকে দোতালার ঝুল বারান্দাটা স্পষ্ট দেখা যায় । নদী খুব বেশি দূরে নয় এখান থেকে। জায়গাটা ছবির মত সুন্দর। মানুষ বিকেলে ঘুরতে যায় ওইদিকে। বাড়ির সামনে দিয়ে হেটে নদী পর্যন্ত যাওয়া যায়। […]

বিস্তারিত
4

বারান্দার গল্প

  ভাতটা চুলায় বসিয়ে দিয়ে বারান্দায় এসে দাড়ায় তমা। আজ বেশি কিছু রান্নার নেই। ডাল রান্না হয়ে গিয়েছে, শুধু তেলে ফোড়ন দিতে হবে। ভাতের মধ্যে দুটো মাঝারি সাইজের আলু দিয়েছে, সবুজ আলুভর্তা খুব বেশি একটা খায় না। কাঁচামরিচ পেয়াজ কাটা আছে, খেতে বসার আগে দুজনের জন্য একটা ডিম ভেজে নিলেই হবে। বৃষ্টি আসবে হয়তো, আকাশে […]

বিস্তারিত