3

হয়তো তোমারই জন্য – পর্ব ২

  আনিকার দিনগুলি পাল্টে গেলো, সারাদিন সব কাজের মধ্যেও কোথাও একটা বিভোর থেকে যায়। একটু অন্যমনস্ক হয়ে হয়ে থাকে। প্রায়ই গ্রীন থেকে টুকটাক অর্ডার করে ফেলে, অপেক্ষা করে, কিন্তু বিভোর আসে না। তিন নম্বর রোডের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মনে হয়, বিভোরের সাথে দেখা হবে, কিন্তু দেখা হয়না কখনো। ক্লাশ শেষ হলে, বাসের জন্য অপেক্ষা […]

বিস্তারিত
5

হয়তো তোমারই জন্য – পর্ব ১

  কলিংবেল বাজলো পরপর দুই বার। কিছুক্ষণ পরে আরো দুইবার। আনিকা বিছানায় শুয়ে ফান্ডামেন্টাল ইকোনোমিকস এর শিটগুলো উল্টেপাল্টে দেখছিল। বার বার কে বেল বাজাচ্ছে! এটা ভেবেই “সুফিইই” বলে জোরে ডাকলো দুবার। কিন্তু সুফি উত্তর দিলো না। বরং মা বলল, “আনিকা দেখো তো কে এসেছে, সুফি ছাদে কাপড় নাড়তে গিয়েছে”। আনিকা বিরক্ত ভঙ্গিতে উঠলো, দরজার ছিটকিনি […]

বিস্তারিত
20

রোদের চিঠি – [শেষ পর্ব]

  (১৫) ……… আজ কলেজের নবীনবরণ নিয়ে কলেজের শিক্ষকদের সাথে এমপি সাহেব সহ পরিচালনা পর্ষদের আলোচনাসভা। ছাত্রপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদের নেতৃস্থানীয় ছাত্ররাও থাকবে। নিশা, তকিব এসেছে। প্রিন্সিপাল স্যার সভা শুরু করলেন। নিশা বার বার দরজার দিকে তাকাচ্ছে, ও যতদূর জানে দলের পক্ষে আসিফই এই প্রোগ্রামের দেখাশোনার দায়িত্ব পেয়েছে। কিন্তু সে কোথায়! দুদিন আগে মাকে তকিবের বিষয়ে […]

বিস্তারিত
9

রোদের চিঠি – (শেষ খন্ড)

  (১৪) মিতু এসেছে নিশার বাড়িতে। সাথে তার ছেলে, রাজমান। “কি সুন্দর মাশাআল্লাহ, আব্বুটা কোলে আসো, কোলে আসো” বলে নিশা রাজকে কোলে নিলো। রাজ ভ্যা করে কাঁদছে, নিশা থামানোর চেষ্টা করছে। মিতু হাসতে হাসতে বললো, ও ইদানিং এইরকম করে, একটু পরই ঠিক হবে দেখিস। রাজমান থামলো নিশা চকোলেট দেওয়ার পরে। নিশা, কবে বিয়ে করবি বলতো, […]

বিস্তারিত
32

রোদের চিঠি- (শেষ খন্ড)

  (১৩)   আরও চার বছর পরের গল্প ………… শিবরামকাঠি সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের একাডেমিক ভবনের সামনে এসে আসিফের ড্রাইভার গাড়ি থামালো। আজ নতুন জয়েন করা শিক্ষকদের সাথে কলেজের প্রিন্সিপাল স্যার সবার আলাপ করিয়ে দিবেন, বরণ করে নেওয়া হবে। তাই স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও নিমন্ত্রিত। আসিফ ছাত্র সংসদের সেক্রেটারি ছিলো টানা চার বছর। ছাত্র […]

বিস্তারিত
1

রোদের চিঠি

  (১২)   চার বছর পর ……… বাস থেকে নামতেই ঝুপ করে বৃষ্টি নামলো। যেই সেই বৃষ্টি না, মুষলধারে বৃষ্টি। বৃষ্টির সিজনে বৃষ্টি হবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু এই কথাটা নিশার মাথা থেকে বের হয়ে গিয়েছিলো একদম। আচ্ছা বৃষ্টি “ঝুপ” করে নামে কেন, শব্দটা “ঝুপ” কেন!! আসলে চার বছর পরে বাড়িতে আসবে, এই উত্তেজনায় মাথা থেকে […]

বিস্তারিত
2

রোদের চিঠি

  (১১) আসিফ মাঠে গিয়ে দেখলো মাঠ প্রায় ফাঁকা, অসংখ্য পুলিশ মানুষকে বের করে দিচ্ছে। স্টেজ ফাঁকা, দলের ছেলে পেলে কাউকে দেখলো না। কোথায় গেলো সব! এখন কি নেতার বাসায় যাবে, কি করা উচিৎ এখন! নাকি হাসপাতালে যাবে! স্টেজ থেকে নেমে নেতা সোজা নিজের গাড়ি করে বাসায় চলে গিয়েছেন। তিনি ভাবছেন, একটা বড় ভুল হয়েছে। […]

বিস্তারিত
1

রোদের চিঠি

  (১০) নিশার বাসায় যাওয়ার অজুহাত ঠিক করতে আসিফের বেশি সময় লাগলো না। ফাইনাল পরীক্ষা কবে হতে পারে, এডমিট কবে আসবে এগুলো জিজ্ঞেস করতে স্যারের কাছে যাওয়াই যায়। স্যার শিক্ষক হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। আসিফ সাথে নুরুলকে নিলো, নুরুল বছর খানেকের জুনিয়র। আর আসিফের এক বছর ড্রপ হয়েছে ইলেকশনের জন্য। নিশাদের বাসাটা সুনন্দা আবাসিকে। প্লট করে […]

বিস্তারিত

রোদের চিঠি

  (৮) আজ সকাল থেকে আবহাওয়া ভালো না। সকালে নিশা স্কুলে গেলো না। বিকেলে মডেল টেস্ট দিতে যাবে শাপলা কোচিং-এ। আসিফ নয়টার দিকে এসেও নিশাকে দেখতে পায়নি। এত আবহাওয়া খারাপ, বৃষ্টি আর ঝড়ো হাওয়া। নিশার আপু বললো, আজ এই আবহাওয়ার কিন্তু কেউ আসবে না রে নিশা। তোর যেতে হবে না। নিশার যেতেই হবে। সেদিনের পর […]

বিস্তারিত

রোদের চিঠি

  (৭) নিশা, এই নিশা, আমার সাথে একটু চল না- আপু ডাকছে নিশাকে। নিশা অঙ্ক করছিলো। আজ স্কুলে যাওয়া হয়নি৷ বিকেলে পরীক্ষা আছে স্যারের বাসায়। -কোথায় আপু, আমার পরীক্ষা আছে, আমি এখন যাবো না। -চল না রে, কাল একটা কানের দুল কিনেছিলাম, কসমেটিকস জোন থেকে, সেটা দেখি ভাঙা। আজকে নিয়ে না গেলে পাল্টে দিতে চাইবে […]

বিস্তারিত