বৃষ্টি নামার আগে -পর্ব ১

  সারা, তুমি এবার সিলেট ট্যুরে যাচ্ছো না? মিটিং আছে ক্যাফেটেরিয়ায়, চলো যাই? -ল্যাব থেকে বের হতে হতে ইপ্তি সারাকে জিজ্ঞেস করছিলো। না, আমি যেতে পারবো না, আমাকে বাড়িতে যেতে হবে- সারা সাধারণ ভাবে উত্তর দিলো। ওহ, আচ্ছা, আগের ট্যুরে কনভেনার তুমি ছিলে, খুব আনন্দ হয়েছিলো। সারা হেসে বললো, হ্যা, সেন্টমার্টিন ট্যুরটা জোশ ছিলো, বলো! […]

বিস্তারিত
3

হয়তো তোমারই জন্য -(শেষ পর্ব)

  কয়েকবার পরপর কলিংবেল বাজলো, প্রায় দেড়টা বাজে, এই অসময় কে আসবে, ভাবতে ভাবতে বিভোর দরজা খুললো, এবং খুলেই অবাক হয়ে গেল, মাইশা, এতদিন পরে!! মাইশা হাসতে হাসতে বললো, কি রে, খুব চমকে গেলি! কেমন আছিস? একটু ভারী, ম্যানলি হয়ে গেছিস দেখছি! এতগুলো প্রশ্ন একসাথে, কোনটা রেখে কোনটা উত্তর দেই, বিভোর পাল্টা প্রশ্ন করলো! —–কোথাও […]

বিস্তারিত
6

হয়তো তোমারই জন্য -পর্ব ৩

  আনিকার স্বপ্নের দিন গুলি শুরু হলো। ভালোবাসি না বলেও ভালোবাসা যায়, স্পর্শ না করে জুড়ে থাকা যায় সমস্ত অনুভূতি। সারাক্ষণ বিভোর হয়ে বিভোরকে ভাবে। তবে বিভোর এতোটা সময় পায়না৷ নিজের কাজ নিয়েই বেশ ব্যস্ত থাকে। কয়েকটা দিন কথা বলা হয়নি আনিকার সাথে, তবে কাজের মাঝেই ওর কথা মনে হয়। বিভোর নিজের মনে ভাবে, আমি […]

বিস্তারিত
5

লাল গোলাপের গল্প

  মহিলা ক্রিশ্চিয়ান। মিস ডোনা এলিজাবেথ নামে চেনে সবাই। বিয়ে করেননি মনে হয়, বছর পঞ্চাশের মতো বয়স হবে। একাই থাকেন একতলা বাড়িতে। সাথে হয়ত চাকর আছে একজন৷ সেও বেশ বয়স্ক। আমি তখন স্কুলে পড়ি৷ দেয়াল ঘেরা মিস ডোনার বাড়িটা বেশ লাগতো দেখতে। বাড়িটা ওনার ছিল কিনা ঠিক মনে নেই। শুধু মনে আছে বাড়ির সামনে একটা […]

বিস্তারিত
3

হয়তো তোমারই জন্য – পর্ব ২

  আনিকার দিনগুলি পাল্টে গেলো, সারাদিন সব কাজের মধ্যেও কোথাও একটা বিভোর থেকে যায়। একটু অন্যমনস্ক হয়ে হয়ে থাকে। প্রায়ই গ্রীন থেকে টুকটাক অর্ডার করে ফেলে, অপেক্ষা করে, কিন্তু বিভোর আসে না। তিন নম্বর রোডের সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় মনে হয়, বিভোরের সাথে দেখা হবে, কিন্তু দেখা হয়না কখনো। ক্লাশ শেষ হলে, বাসের জন্য অপেক্ষা […]

বিস্তারিত
5

হয়তো তোমারই জন্য – পর্ব ১

  কলিংবেল বাজলো পরপর দুই বার। কিছুক্ষণ পরে আরো দুইবার। আনিকা বিছানায় শুয়ে ফান্ডামেন্টাল ইকোনোমিকস এর শিটগুলো উল্টেপাল্টে দেখছিল। বার বার কে বেল বাজাচ্ছে! এটা ভেবেই “সুফিইই” বলে জোরে ডাকলো দুবার। কিন্তু সুফি উত্তর দিলো না। বরং মা বলল, “আনিকা দেখো তো কে এসেছে, সুফি ছাদে কাপড় নাড়তে গিয়েছে”। আনিকা বিরক্ত ভঙ্গিতে উঠলো, দরজার ছিটকিনি […]

বিস্তারিত
20

রোদের চিঠি – [শেষ পর্ব]

  (১৫) ……… আজ কলেজের নবীনবরণ নিয়ে কলেজের শিক্ষকদের সাথে এমপি সাহেব সহ পরিচালনা পর্ষদের আলোচনাসভা। ছাত্রপ্রতিনিধি হিসেবে সংসদের নেতৃস্থানীয় ছাত্ররাও থাকবে। নিশা, তকিব এসেছে। প্রিন্সিপাল স্যার সভা শুরু করলেন। নিশা বার বার দরজার দিকে তাকাচ্ছে, ও যতদূর জানে দলের পক্ষে আসিফই এই প্রোগ্রামের দেখাশোনার দায়িত্ব পেয়েছে। কিন্তু সে কোথায়! দুদিন আগে মাকে তকিবের বিষয়ে […]

বিস্তারিত
9

রোদের চিঠি – (শেষ খন্ড)

  (১৪) মিতু এসেছে নিশার বাড়িতে। সাথে তার ছেলে, রাজমান। “কি সুন্দর মাশাআল্লাহ, আব্বুটা কোলে আসো, কোলে আসো” বলে নিশা রাজকে কোলে নিলো। রাজ ভ্যা করে কাঁদছে, নিশা থামানোর চেষ্টা করছে। মিতু হাসতে হাসতে বললো, ও ইদানিং এইরকম করে, একটু পরই ঠিক হবে দেখিস। রাজমান থামলো নিশা চকোলেট দেওয়ার পরে। নিশা, কবে বিয়ে করবি বলতো, […]

বিস্তারিত
32

রোদের চিঠি- (শেষ খন্ড)

  (১৩)   আরও চার বছর পরের গল্প ………… শিবরামকাঠি সরকারি সোহরাওয়ার্দী কলেজের একাডেমিক ভবনের সামনে এসে আসিফের ড্রাইভার গাড়ি থামালো। আজ নতুন জয়েন করা শিক্ষকদের সাথে কলেজের প্রিন্সিপাল স্যার সবার আলাপ করিয়ে দিবেন, বরণ করে নেওয়া হবে। তাই স্থানীয় রাজনৈতিক নেতা এবং গণ্যমান্য ব্যক্তিরাও নিমন্ত্রিত। আসিফ ছাত্র সংসদের সেক্রেটারি ছিলো টানা চার বছর। ছাত্র […]

বিস্তারিত
1

রোদের চিঠি

  (১২)   চার বছর পর ……… বাস থেকে নামতেই ঝুপ করে বৃষ্টি নামলো। যেই সেই বৃষ্টি না, মুষলধারে বৃষ্টি। বৃষ্টির সিজনে বৃষ্টি হবে এটাই স্বাভাবিক, কিন্তু এই কথাটা নিশার মাথা থেকে বের হয়ে গিয়েছিলো একদম। আচ্ছা বৃষ্টি “ঝুপ” করে নামে কেন, শব্দটা “ঝুপ” কেন!! আসলে চার বছর পরে বাড়িতে আসবে, এই উত্তেজনায় মাথা থেকে […]

বিস্তারিত