2

বৃষ্টি নামার আগে – পর্ব ৭

 

ইপ্তির যখন ঘুম এলো তখন রাত শেষ, ঘুম ভাঙলো অনেক বেলায়। মধ্যরাতের কষ্টগুলো আবেগ গুলো সাধারণত ঘুৃমভাঙার পরে হালকা হয়। ইপ্তির রাতের কথা মনে হয়ে অস্বস্তি লাগতে শুরু করলো। শাফির বিয়ে ঠিক হয়ে গেছে, এখন ইপ্তি কি পাগলামি করছে, বিষয়টা থেকে মুক্তি চাই ই চাই। কিন্তু শাফি যেন মাথার মধ্যে স্থায়ীভাবে বসে আছে।
একচুল নাড়াতে পারছে না।

শাফির কিছু কাজ ছিলো ঢাকায়, সকালে সে স্থানীয় কাজগুলো গুছিয়ে নিয়ে রওনা হলো। এবং কিছুক্ষণ পরেই মনে হলো, এটা কি ভীষণ ছেলেমানুষী হচ্ছে। ইপ্তির সাথে বন্ধু হিসেবে কথা বলা যায়, কিন্তু অনুভূতি জানাতে যাওয়া বোকামী ছাড়া কিচ্ছু না।

তবুও শাফি সন্ধ্যার পরে ঢাকায় পৌছালো। ইপ্তি গতরাতের কথা ভেবে একটু দ্বিধাবোধ থেকে আর সারাদিন ফোন করেনি। সন্ধ্যার দিকে ফোন পেলো ইপ্তি, শাফি সত্যিই ঢাকায় এসেছে, ইপ্তি বলেছে তাই।

ইপ্তির জন্য বের হওয়া কোন সমস্যা না। একটা শপিংমলে শাফিকে অপেক্ষা করতে বলে ইপ্তি বের হলো।
শাফি অপেক্ষা করছিলো।
বেশ কয়েকদিন পরে দেখা হলেও ইপ্তির মনে হলো রোজই দেখা হয়েছে শাফির সাথে।
ইপ্তিকে দেখে শাফি হাসলো, সেই ভুলভুলানো, হৃদয় ভেদ করে যাওয়া তীক্ষ্ণ হাসি।

-আপনি কি শুধু আমার জন্যই ঢাকা এসেছেন?

-না, আরো কিছু কাজ আছে, সেটা এগিয়ে এনেছি, কাল সারাদিন করে ফেলবো।

– কি কাজ? বিয়ের শপিং?

শাফি তাকিয়ে দেখলো ইপ্তির মুখে, তারপর বললো, হ্যা সেটা তো করাই যায়, তুমি করে দাও!!

ইপ্তির মন খারাপ হলেও বললো, আচ্ছা।

শাফিকে ক্লান্ত লাগছিলো, ওয়াশরুম থেকে ফ্রেশ হয়ে আসতেই ইপ্তি নিজের আকাশি রঙের রুমালটা এগিয়ে দিলো। কি মিষ্টি একটা সুগন্ধ, শাফির ভেতরটা নাড়া দিয়ে গেলো, এটা কি ইপ্তির একদম নিজস্ব সুবাস!! আহা, মনটা কেমন অবাধ্য হচ্ছে। ইপ্তিকে ইচ্ছে করছে বুকে টেনে নিতে।

-আপনি খাওয়া দাওয়া করেছেন?

-হ্যা, খেয়েছি। চলো বসি কোথাও?

-শপিংমল বন্ধ হয়ে যাবে, আগে শপিংটা সেরে ফেলি?

-কিসের শপিং?

-আপনার বিয়ের কি লাগবে বলছিলেন!!

-ওহ হ্যা, আচ্ছা ওটা কাল করা যাবে।

-ওকে, সুইট কর্ণ খাবেন?

এক্সেলেটরের নিচ থেকে সুইনকর্ণ কিনে একপাশে দাঁড়ালো ইপ্তি আর শাফি। দুজনের মনেই অনেক অপূর্ণতা। এতোদূর থেকে এসে এরকমই ফর্মাল কিছু শাফি আশা করেনি আবার ইপ্তিই বা কি করবে। একটা দ্বিধা আটকে দিচ্ছে।

বেশখানিকটা সময় যাওয়ার পরে, শাফি জিজ্ঞেস করলো কি হয়েছিলো কাল রাতে? এতো অস্থির ছিলে কেন?

-তেমন কিছু না, রিদমের সাথে কথা বলে ভালো লাগছিলো না।

-রিদম কে?

-বয়ফ্রেন্ড বলতে পারেন!!

শাফি একটা বড় ধরণের ধাক্কা খেলো, কই আগে তো ইপ্তি বলেনি। অবশ্য তখন বলার মতো সম্পর্কও ছিলো না। এই তো শাফি কত কিছু ভেবেছিলো, সেসব তাহলে পুরোপুরি ভিত্তিহীন। শাফি নিজেকে সামলে নিয়ে বললো, এতো অস্থির হলে চলে ইপ্তি! সমস্যা হলে কথা বলে মিটিয়ে নাও।

-হ্যা দেখছি, ইপ্তি অন্যমনস্ক হয়ে যায়!!

-ঠিক আছে, আজ আসি?

শাফি চলে যেতে চাইলো।

-কোথায় থাকবেন?

-ইসলামপুরে।

-ওখনে কেন?

-আমার কাজ ওখানে।

-সারার সাথে দেখা করবেন না?

-কাল বিকেলে। দেখ করে রাতের বাসে চলে যাবো।

-আচ্ছা।

কোন নাটকীয়তা ছাড়া শাফি চলে গেলো। ইপ্তির মধ্যে কেমন একটা অস্বস্তি কাজ করছে, শাফির সাথে কোন কথাই বলা হলো না।

 

###

আর কথা হলো না শাফির সাথে। শাফিও আর ফোন করলো না। পরদিন দুপুরের পরে সারা ক্লাশ থেকে বের হয়ে যাচ্ছিলো, ইপ্তি বুঝতে পারলো শাফি এসেছে। তবু জিজ্ঞেস করে ফেললো, কোথায় যাচ্ছো?

সারা বললো, বড় ভাইয়া এসেছে, তুমি যাবে দেখা করতে?

ইপ্তি বললো, না গতকাল আসিনি কিছু নোটস নিতে হবে। ভাইয়া কি বিয়ের শপিংএ এসেছে?

-ওহ তোমাকে বলা হয়নি, ভাইয়া তো বিয়ে করবে না বলে দিয়েছে?

ইপ্তির বুকের ভেতরটা কেমন করে উঠলো, শাফি বিয়ে করছে না কিন্তু ওকে তো কিছু বলেনি অবশ্য ও বলার মতোও কেউ না। ইপ্তির পা ছড়িয়ে বসে কাঁদতে ইচ্ছে করলো।
বেশ কিছুক্ষণ পরে ইপ্তি টেক্সট করলো, আপনি কি চলে গেছেন?

শাফি উত্তর দিলো না। মিনিট দশেক পরে বললো, আমি চলে যাচ্ছি।

ইপ্তি ফোন করে ফেললো, বললো আপনি একটু দাঁড়ান, আমি আসছি।

সারাকে ডরমিটরীতে দিয়ে শাফি ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে মেইনরোডের পাশে দাঁড়ালো। ইপ্তি লোকেশন জেনে নিয়ে দ্রুত পায়ে হেঁটে চলে এলো, একটু দ্রুত হাঁটার কারনে ইপ্তির কপালে চিবুকে বিন্দু বিন্দু ঘাম জমেছে।

-আপনি কেন বলেননি আপনি বিয়ে করছেন না?

-আসলে তুমি এতো সুন্দর করে জিজ্ঞেস করতে, বলার অবকাশ পাইনি!!

-আপনি ভীষণ খারাপ, ভীষণ।

-কি আশ্চর্য, এতে খারাপের কি হলো, বিয়ে করি না করি সেটা এতো ম্যাটার করছে কেন!

ইপ্তির খুব খারাপ লাগছে, এই লোকটা এতো বদ কেন, বিয়ে ভেঙে দিলো আর ওকে বলেনি। ভীষণ কান্না পাচ্ছে। ইপ্তির আর ধৈর্য্য হলো না, রাস্তার মাঝখানে সহসা শাফিকে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করলো, শাফি ইপ্তিকে না ধরেই জিজ্ঞেস করলো, কি হয়েছে পরী, আমাকে বলো!!

-কেন আপনাকে বলতে হবে, আপনি কে যে বলবো!!

-আমি কেউ না? সত্যি বলছো?

-না আপনি কেউ না।

-আচ্ছা আমি কেউ না, ঠিক আছে?

-না ঠিক নেই!

-আচ্ছা ঠিক নেই!

ইপ্তি শাফিকে ছাড়লো না আর শাফি ইপ্তিকে ধরলো না।

-আপনি খুব খারাপ, ভীষণ খারাপ।

-আচ্ছা আমি খুব খারাপ! তোমার মন ভালো হবে তাহলে?

-আপনি অত্যন্ত বদ লোক!!

-আচ্ছা আমি বদলোক!!

-আমি এতক্ষণ আপনাকে ধরে আছি, আপনি তো আমাকে ধরছেন না!!

শাফি এবার খুব আলতোভাবে ইপ্তিকে স্পর্শ করলো। ইপ্তি কেঁপে উঠলো।

-আমি খারাপ কিন্তু তুমি বোকা! ভীষণ বোকা।

-কেন আমি কি করলাম?

-এই যে তুমি একবার বলার পরেই আমি এতদূরে চলে এলাম, কই আমাকে তো একটা ঠ্যাঙ্কসও দিলে না! এখন বোকার মতো কাঁদছো!

-কেন এসেছেন আপনি?

-পরী ডাকলো তো!! বললো যে, আপনি আসুন!!

ইপ্তি শাফিকে ছেড়ে দিলো, চোখমুছে বললো, আচ্ছা আমি চলে যাচ্ছি!!!

শাফি এবার ইপ্তির হাত খুব শক্ত করে চিবুক ধরে বললো, আমি যদি বলি তোমাকে বিয়ে করতে চাই, তুৃমি কি রাজী হবে পরী? আমি তোমার যোগ্য না, আমি জানি, তবুও তুমি ছাড়া আমার চলবে না, একদম না!

ইপ্তি দেখলো শাফি খুব কাছে, ব্যস্ত হাইওয়েতে কত গাড়ি ছুটছে। ইপ্তি পায়ের আঙ্গুলে ভর দিয়ে দাঁড়িয়ে শাফির ঘাড়ে দুহাত দিয়ে ধরলো। তারপর দ্রুত শাফির ঠোঁটে চুমু খেয়ে নিলো।
ঘটনার আকস্মিকতাশ শাফি হতভম্ব হয়ে গেলো, এই মেয়েটা এতো পাগল কেন, ওকে ছাড়া চলবে না, কিছুতেই
না!!

 

###

-তুমি তাহলে ইপ্তিকে বিয়ে করতে চাও?

চশমার গ্লাস মুছতে মুছতে ইপ্তির বাবা শাফিকে প্রশ্নটা করলেন।

শাফি সংক্ষেপে বললো, জি।

-আচ্ছা। তুমি কি করো? আমি জানি তারপরেও তোমার কাছ থেকে শুনতে চাচ্ছি।

শাফি সংক্ষেপে উত্তর দিলো, ব্যাবসা।

-তুমি কি কথা কম বলো, নাকি আমার সাথে কথা বলতে অস্বস্তি বোধ করছো? অস্বস্তি বোধ করো না, আমি ভিলেন নই, আমি মেয়ের বাবা, মেয়ের পছন্দের মানুষকে ডেকেছি, খোঁজ খবর করে কথা বলার জন্য।

ইপ্তির বাবা ইসহাক সাহেব। সৌম্যদর্শন ভদ্রলোক। গতসপ্তাহে তার একমাত্র মেয়ে ইপ্তি এসে বলেছে, সে একজনকে পছন্দ করছে, তাকে বিয়ে করতে চায়। এই কথার হেতু শাফিকে ডাকা হয়েছে।

শাফি একটু বিব্রত। সে ইপ্তিকে বলেছিলো এতো তাড়াতাড়ি বিয়ের সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলছো, পরে যদি তোমার কোন আফসোস হয়?

ইপ্তি উত্তরে অদ্ভুতভাবে যে উত্তর দিয়েছে, শাফি চুপ করে গিয়েছে।

ইপ্তি বলেছে, সে শাফিকে অনেক আদর করতে চায়, এটা বিয়ে না করে করা সম্ভব না, আর শাফি তো কমবয়েসী কেউ না যে প্রেম করার অনেক সময় আছে হাতে!!

শাফি ভীষণ ভীষণ অবাক হয়েছে। ইপ্তি এতো ক্রেজি বিষয়টা কোনভাবেই সে বুঝতে পারেনি। আগে মনে হয়েছিলো ইপ্তি খুবই নরম মনের চুপচাপ মেয়ে। গত একসপ্তাহে শাফি বুঝতে পারছে, মেয়েটা মোটেও চুপচাপ নয়, বরং কিছুটা লুকিয়ে রাখে নিজেকে। এই ক্রেজি ভাবটা শাফির খুব বেশি ভালো লাগছে।

ইপ্তি আসুক জীবন ওলটপালট করতে। উথালপাঠাল ভালোবাসায় ভাসিয়ে দিক। রাত জেগে শুধু কথা বলে মন ভরছে না, ইপ্তিকে কাছে চাই, খুব কাছে। এত ফাঁকা লাগে ইপ্তির ফোনটা কেটে দিলে, কোনভাবেই মন মানছে না৷ ইপ্তির বাবা রাজী হবেন না এটাই স্বাভাবিক। তাহলে কি ইপ্তি আসবে না তার কাছে!অবশ্য একথা ইপ্তি উড়িয়ে দিয়েছে, বলেছে বাবা তার উপর ভরসা করে।ইপ্তি যাকে পছন্দ করবে, বাবা তাকে না করে দিবে না।

 

-আঙ্কেল, আমি জানি আমি ইপ্তির যোগ্য না৷ যোগ্যতা শুধু টাকা পয়সা অবস্থানের ভিত্তিতে হয় না৷ অলিখিত কিছু নিয়মেও যোগ্যতা নির্ধারন করা হয়। একথা আমি জানি খুব ভালো করেই। তবু ইপ্তিকে যে অল্প সময় দেখেছি, আমার মনে হয়েছে, আমার জীবনে ইপ্তিকে খুব দরকার। ইপ্তির আমাকে না হলেও চলবে। আমি কিছুটা অস্বস্তিতে আছি, মনে হচ্ছে একটা পরীক্ষা দিতে এসেছি, যে বিষয়ে আমার কোন জানাশোনা নেই এরকম।

-হুম বুঝতে পেরেছি। ইপ্তির সময় নেওয়া উচিৎ ছিলো, কিন্তু ইপ্তি সময় নিতে চাইছে না। সে আমাকে বলেছে, সে তোমার বিয়ে উপলক্ষেই তোমাদের বাড়িতে গিয়েছিলো, তোমার বিয়ে করার তাড়া আছে।

-আমার বিয়ে করার কোন তাড়া নেই, আপনি চাইলে ও পড়া শেষ করুক, তারপর বিয়ে হোক।

-নো মাই সান, আমি তোমাদের বিয়ে দিবো। তাড়াতাড়িই দিবো। জীবনে ভালোবাসারও দরকার আছে। এই মুহুর্তে ইপ্তির মনে যে ভালোবাসাটা আছে, সে সেটা উপভোগ করুক।

ইসহাক সাহেব দূরদর্শী মানুষ, মনে মনে ভাবলেন, বিয়ে করুক ইপ্তি। তার কোথাও কিছু কম নেই, বিয়ে করলেই সেখানে স্থায়ী থাকতে হবে এমন কোন কথা নেই, তিনি এমনিতেও চান ইপ্তির জামাই তার সাথেই থাকুক।
এই ছেলের স্টেপ মম আছে, ভালোবাসার কাঙাল ছেলেটি, পড়াশোনাও করেছে, ব্যবসা বেশ জমিয়ে করছে। তার মানে বুদ্ধিমান ছেলে। এই ছেলেকে তার নিজের ছেলের মতো করে নিতে কষ্ট হবে না।

-তোমার গার্ডিয়ানকে আমার সাথে কথা বলতে বলো। বিয়ের দিনখন ঠিক করে ফেলি।

শাফি প্রচন্ড অবাক, জীবন এতো সহজ, এতো সুন্দর, কি করে!! ইপ্তি সত্যিই পরী হয়ে এসেছে ওর কাছে!! আরেকটা কথা হলো, বিয়ে বিষয়টা আল্লাহ নির্ধারিত। ইপ্তি তার হলে, কারো শক্তি নেই ইপ্তিকে আলাদা করে দেওয়ার।

সমস্যা করবে মা। খুব শক্ত ভাবে বিষয়টা সামলাতে হবে। শাফি কথা শেষ করে চলে যাচ্ছিলো। ইপ্তি এগিয়ে গেলো নিচ পর্যন্ত পৌছে দিতে।

লিফট কল করে ইপ্তি বললো, কি দেখলেন, বলেছিলাম না, আমার বাপি মামাম আমার খুশিতে খুশি হয়ে যায়?

শাফি ঘাড় নাড়লো, সত্যিই তাইতো দেখলাম।

-আন্টি কি রাজী হবেন? ইপ্তি জিজ্ঞেস করলো।

-হবে। আসছি ইপ্তি। পরে কথা হবে।

লিফটে শাফি ঢোকার পরে ইপ্তিও ঢুকে গেলো।।

-তুমি নিচে যাবে?

-হুম!

-যেতে হবে না, তুমি বাসায় যাও!

-যাচ্ছি।

দরজা বন্ধ হতেই ইপ্তি শাফির খুব কাছে চলে এলো।
শাফি এবার বুঝতে পারলো নিচে যাওয়ার কারণটা।
সে নিজেকে ফেরাতে পারলো না৷ আর একবার ইপ্তির নরম অধরে ডুবে গেলো চোখ বন্ধ করে।
সত্যিই মেয়েটা অদ্ভুত, ভীষণ অদ্ভুত !!

 

বৃষ্টি নামার আগে- পর্ব ৮

শানজানা আলম
 

লেখালেখির অভ্যাস বাবার কাছ থেকে পাওয়া। তিনি গল্প বলেন, নিজের চারপাশের কথাগুলোই লিখে দৃশ্যমান করার চেষ্টা চলে অবিরাম। প্রফেসর বাবা এবং স্কুল শিক্ষিকা মায়ের বড় সন্তান এবং একমাত্র মেয়ে। শানজানা আলমের লেখার সবচেয়ে ভালোদিক হচ্ছে তার গল্প বলার সহজ সাবলীল ভঙ্গি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে এখন সময় কাটে লেখালেখি নিয়ে। তার প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ "চন্দ্রাহত" "নিশীথ রাতের বাদল ধারা" ‘রূপকথা নয়’ ইতিমধ্যেই বেশ পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে।

Click Here to Leave a Comment Below 2 comments