2

চোখের আলোয় দেখেছিলেম- পর্ব ২

 

ছাদের কার্ণিশে সুধা পা ঝুলিয়ে বসে ছিলো। এমনি সময়ে ছাদ তালা বন্ধ থাকে, চাবি থাকে ধ্রুবর কাছে, আজ ধ্রুবর মা কম্বল গুলো ছাদে মেলে দিবেন বলে ছাদ খোলা ছিলো। কিন্তু একটু বৃষ্টি হয়েছে। সুধাকে খবর দিয়েছে বুয়া, ছাদ খোলা আছে।
সুধা আসবে কিনা ইতস্তত করছিলো, পরে বুয়া বলল, যান আফা, সমেস্যা হইবো না।
ছাদে কেউ ছিলো না৷ ছাদটা খুবই সুন্দর। অবশ্য তালা বন্ধ রাখে বলেই সুন্দর, নয়তো এতো পরিপাটি থাকতো না।

ধ্রুব ছাদে গেলো তখন ভর দুপুরবেলা। সুধা দরজা খোলার আওয়াজে তাকিয়ে দেখলো ধ্রুব৷
ধ্রুবকে দেখে সুধা নেমে গেলো কার্ণিশ থেকে।ও নিচে নেমে চলে যেতে লাগলো, ধ্রুব একটু বিরক্ত হলো। অবশ্য সুধাকে দেখতে ভালোই লাগে, কোন কারণ ছাড়াই ভালো লাগে। “ইয়া হাবিবি!”

সুধার সাথে কথা হলো না, সুধা দ্রুত নেমে গেলো। ধ্রুবর হঠাৎ মনে হলো, মেয়েটা মনে হয় খুব একা। কেমন উদাসী হয়ে বসে ছিলো! একটা লাল সিমেন্টের বেঞ্চ আছে ছাদে।
সেখানে না বসে কার্ণিশে, যে কোন বিপদ হতে পারতো! একদিন নিষেধ করতে হবে এভাবে বসতে। অবশ্য ছাদ তো বন্ধই থাকে! প্রতিদিন আসতে পারবে না চাইলেও।

ধ্রুব কি যে ম্যানলী, ভীষণ আকর্ষণ করে সুধাকে। কিন্তু সে তো রথির প্রেমেই ডুবে আছে। ধ্রুবকে দূর দেখে সুধার একটা অদ্ভুত অনুভূতি হয়।

##

বেশ কিছুদিন কেটে গেলো এ বাড়িতে। সুধার ছাদে ওঠা নিষেধ হলেও মাঝে মাঝে সে ছাদে যায়, যখন ধ্রুব থাকে না। কখনো কখনো সুধার ছাদে ওঠা নামার সময় দেখা হয় ধ্রুবর সাথে। দেখা হলে, হালকা হাসি বিনিময়, এটুকুই চলে। ধ্রুব কেউ ছাদে উঠুক এটা পছন্দ করে না কিন্তু সুধাকে নাও করতে পারেনা।
সুধার ঘরের জানালা থেকে দেখা যায়, ধ্রুর বারান্দা বসে গীটারে টুংটাং করে, ইলেকট্রিসিটি চলে গেলে বারান্দায় ধূমায়িত শলাকার জ্বলা নেভা টের পাওয়া যায়। মাঝে মাঝে ধ্রুবর কাছে তার গানের দলের বন্ধুরা আসে, সবাই মিলে গান ধরে, “বিদ্রোহ আর চুমুর দিব্যি শুধু তোমাকেই চাই!” ধ্রুবর ছাদের গানের ঘরে মেঝেতে বসেই সবাই চায়ের কাপে ঝড় তোলে, সুধা দূর থেকে দেখে যায়।

সুধা খেয়াল করে দেখেছে, রথি ধ্রুবর খুব কাছ ঘেষে থাকে। বুয়া বলল রথির সাথেই বিয়ে হবে ধ্রুবর। তাই হয়ত ধ্রুবর অন্য কাউকে চোখে পরে না৷ সুধাও অবশ্য আর বেশি কিছু চায়ও না! মাঝে মাঝে বারান্দায় অনাবৃত পশমাবৃত বুকে ধ্রুবকে দেখে সদ্য কৈশোর পেরোনো সুধার মাথায় আনাগোনা করে অনেক অবাধ্য ইচ্ছেরা, যা কাউকে বলা যায় না, শুধু নতুন চেনা শরীরী ভাষারা বুকের মধ্যে ঢেউ তুলে যায়৷ একাকী মরে যায় নির্লজ্জ ইচ্ছেগুলো, ছি ছি, সুধা কি তবে খারাপ মেয়ে! কিন্তু বয়সটাই যে এমন, বিপরীত জেন্ডারের প্রতি টান আসাটাই তো স্বাভাবিক, এটা মাতৃহারা সুধাকে বোঝানোর কেউ নেই। অন্যান্য বন্ধুদের মতো ছেলেবন্ধু নেই সুধার। তবে বন্ধু আছে অনেক। তাদের প্রতি সুধার কোন টান আসে না। ধ্রুবকে দেখলেই মনে একটা দোলা লাগে!

 

##
সেদিনটা ছিলো একটু অন্যরকম। পুরো বাড়ি প্রায় ফাঁকা। শেষ বিকেলের দিকে আকাশে ঘন কালো মেঘ জমেছিলো। সুধার বাবা বাসায় ছিলেন না। সুধাও কোন টিউশনে যায়নি। সুধা একাই গিয়েছিলো ছাদে। আলমারি থেকে মায়ের একটা পুরোনো শাড়ি নিয়েছিলো সুধা, শুধু শাড়িটাই আদিমভাবে গায়ে জড়িয়েছিলো, সাথে পায়ে আলতা দিয়ে হাত ভরা কাঁচের চুড়ি। নিজের জন্যই, বৃষ্টিতে ভিজবে আজ মন ভরে। ধ্রুবর ঘরটা ফাঁকা, কেউ নেই বোধ-হয়, একসময় বড় বড় ফোঁটায় জোরে বৃষ্টি নামলো। শুধু বৃষ্টি না, ঝড়ও সাথে৷ ধ্রুবরও ফেরার কথা ছিলো না। বাসার সবাই কোথাও গিয়েছে, তাই তালাবদ্ধ ঘরে ঢুকতে না পেরে ধ্রুব ছাদে চলে এলো।
ছাদে ঢুকতে গিয়ে ধ্রুব ধাক্কা খেলো, কে একজন দাঁড়িয়ে আছে, পেছনটা দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে কোন দেবী, সেই পুরাণ থেকে যেন নেমে এসেছে সরাসরি, কে সে? আফ্রোদিতি নাকি আর্টেমিস!! শাড়ির আঁচল পেছনে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েছে, আর অন্যবাহু অনাবৃত। পেছনে ফিরলেই ধ্রুবর সামনে উন্মোচিত হয়ে যাবে এক রহস্যময় আখ্যান। কে এভাবে এসেছে! সহসা বাজ পড়ার আওয়াজে কেঁপে পেছন ফেরে সুধা। ফিরেই চমকে ওঠে, অপলকভাবে ধ্রুব তাকিয়ে আছে, ওকে দেখছে। একটু লজ্জা পেয়ে গেলো সুধা। ধ্রুবর চোখের নেশা সুধার দৃষ্টি এড়ায় না। উদাম শরীরে ধ্রুবকে মনে হচ্ছে কোন ভাস্করের করা পুরুষালী মুর্তি, দূর থেকে ওকে দেখে মনে মনে সুধা ভেবেছে কত কিছুই। সেই ধ্রুব গ্রীক দেবতার মতো সামনে এসে দাঁড়িয়েছে সহসা। নিজের অনাবৃত শরীর নিয়ে লজ্জা লাগছে না সুধার, শরীরটা ঝিনঝিন করছে, তলপেটের নিচে মুচড়ে উঠছে একটা অচেনা অনুভূতি। ধ্রুব শরীরে নিজের রক্তের স্রোত টের পাচ্ছে৷ মনে হচ্ছে পুরো শরীরে অন্য কোন স্রোত বয়ে যাচ্ছে, অঙ্গ প্রত্যঙ্গগুলো ওর বশে নেই একদম। ধ্রুব দুহাত বাড়ালো, সুধা যেন অপেক্ষায় ছিলো, আছড়ে পড়লো ধ্রুবর বুকে। দরজা আটকানোর কথা মনে হলো না ধ্রুবর। সুধাকে কোলে তুলে নিয়ে রুমের তক্তপোষে শুইয়ে দিলো। একপাশের শাড়ির আঁচল নামিয়ে দিলো, অপার্থিব রূপে সুধা প্রকাশিত হলো ধ্রুবর সামনে, যেন যত্ন করে আকা কোন ছবি বা সুরেলা কোন গান। ধ্রুব চুমু খেলো সুধার ঠোঁটে । সুধার পাতলা ঠোঁটে নিজের ধূমপায়ী পুরুষ্টু ঠোঁট ছুঁইয়ে দিলো। সুধা বাঁধা দিলো না। সুধাও চুমু খেলো। খুব অপটু হলেও ধ্রুবর খুব ভালো লাগলো সুধার চুমুতে। এই ঠোঁটজোড়া কখনো কেউ স্পর্শ করেনি, একজোড়া অস্পর্শীয়া তুলতুলে ঠোঁট।

সুধা হঠাৎ অন্যস্রোতে ভেসে ধ্রুবকে আদর করতে শুরু করলো। ধ্রুবর বুকের পশমে আটকে থাকা পানি নিজের ঠোঁটে মাখিয়ে নিলো। চুমু খেলো অসংখ্য ধ্রুবর বুকে। এক অদ্ভুত ভালোলাগায় ধ্রুব ভেসে যেতে লাগলো।
ধ্রুবর কপাল, কপোল চোখ চিবুক কানে অসংখ্য চুমুতে চুমুতে ভরে দিলো সুধা। সুধার আদর ফিরিয়ে দিতে ওকে বুকে টেনে নিলো ধ্রুব। আলতো করে পরণের শাড়িটা খুলে ফেলে দিলো। ওর চোখ আটকে গেলো সুধার তলপেটে, কি সুন্দর একট টকটকে লাল তিল, ধ্রুব নিজের নাক ডুবিয়ে দিলো। উপভোগ করে নিলো সুধার মিষ্টি সুবাস। তারপর ঠোঁট ডুবিয়ে দিলো, গভীর থেকে গভীরে।
সুধা বার-বার কেঁপে উঠতে লাগলো। ধ্রুবর তখন ফেরার উপায় নেই, অন্য এক জগতে সে বিচরণ করছে তখন, ভেসে যাচ্ছে কোন অচেনা স্রোতে, তল খুঁজে ফিরছে।
সুধা আঁকড়ে ধরে ধ্রুবকে কাছে টানে।। এতোটা জোরে কেউ ধরেনি ধ্রুবকে। ধ্রুব বুঝি পাগল হয়ে যাবে, এই মেয়েটা পাগল করে দিচ্ছে ধ্রুবকে। অদৃশ্য কোন প্রতিযোগীর সাথে পাল্লা দিয়ে ঘোড়া সওয়ার হয় ধ্রুব। ওকে জাপটে ধরে থাকে সুধা।

ঝড় শান্ত হলে সুধাকে বুকে নিয়ে শুয়ে পড়লো ধ্রুব। অচেনা সুধা, এতো কাছে, এতো কাছে কোনদিনও কেউ আসেনি। ধ্রুবর প্রতিটি রোম কূপে সুধা পৌছে গেছে। একহাত দিয়ে বুকে জড়িয়ে ধরে থাকে কতক্ষণ।

না, কোন কথা হয়নি সেদিন, তবে ছিলো অন্য কোন ভাষা। প্রচন্ড ঝড়ের মুখে ধ্রুব আর সুধা অন্য কোন বৃষ্টিতে ভিজে গিয়েছিলো। হয়ত নিজেরাও নিজেদের হারিয়ে ফেলেছিলো। কোন ন্যায় অন্যায় বিচার বোধ ছিলো না ওদের। ধ্রুবর ঘরের মেঝের তক্তপোষে ধ্রুবর সেই পশমাবৃত বুকে সুধা ঠোঁট দিয়ে আলতো করে আদর করেছিলো, এটা শুধুই শরীরের ভাষা, মনের ভাষাও বটে, তবে সেটা ভালোবাসা নয়।

নারী শরীর ধ্রুবর কাছে অচেনা নয়, চাইলই সে রথিকে কাছে টানতেই পারে, কিন্তু নীতি ঔচিত্যবোধের কারণে কয়েকবার চুমু খাওয়া ছাড়া রথিকে কাছে টানা হয়নি। তাই নারী শরীরের রহস্য সুধাই প্রথম ভাঙে ধ্রুবর কাছে। কোন জোর নয়, স্বইচ্ছায় সমর্পন। এ কেমন টান! ভালোবাসাহীন এমন সম্পর্ক হয় নাকি!! হয়, শারিরীক ভালোবাসারা মনের কাছে পরাজিত হয়ে যায়, এজন্যই অপ্রিয় অপরিচিত কোন মানুষকে বিয়ে করেও বছরের পর বছর বাধাহীনভাবে দাম্পত্য সম্পর্ক বয়ে চলে, কিন্তু ওরা তো বিবাহিত নয়! যাক, এসব কথা বাইরে থেকে ভাবা গেলেও ওদের সেই বোধ ছিলো না। যখন বোধ ফিরলো, তখন সব কিছুই অনেক দেরী হয়ে গিয়েছে। ধ্রুবর বুকে সুধার স্পর্শের সাথে পিঠে জাপটে ধরা খামচির দাগও বসে গিয়েছে। একই রকমভাবে সুধার ফর্সা তলপেটের লাল তিলটার পাশে টকটকে লাল চিহ্ন বলে দেয় ধ্রুব কতোটা ঢুবে গিয়েছিলো সুধার মধ্যে।

সুধা যখন নড়ে উঠলো তখন ধ্রুবর বোধ ফিরলো। সুধা আস্তে করে নিজের ভেজা শাড়িটা গায়ে পেঁচিয়ে নিয়ে বের হয়ে গেলো। বসে রইলো ধ্রুব। কি হলো এটা!! কেন হলো!!
ঠোঁটে এখনো সুধা লেগে আছে, লেগে আছে সারা শরীরে। অপার্থিব প্রশান্তিতে বুকটা ভরে আছে। কেমন আদর আদর পিচ্চি মেয়েটা। ধবধবে সাদা বেড়ালের মতো। ইশ, আরো কতক্ষণ জড়িয়ে রাখা যেতো! পরক্ষনেই জ্ঞান ফেরে ধ্রুবর। কে সুধা, সুধাকে কেন ও কাছে টেনে আদর করলো, সুধাও বা ওকে আদর করলো কেন! ওদের তো কোন সম্পর্ক নেই! তাহলে!!

নিজেকে সামলে নিয়ে সুধা চলে যায় সুধার বাসায়। ধ্রুব বসে থাকে একা একা, এটা কি হলো, এতোটা বেচাল হলো কি করে ধ্রুব! সুধা কি বাসায় নালিশ করবে, তার পরে কি হবে! এটা ধ্রুব কি করে ফেললো, কিন্তু কই, সুধা তো বাঁধা দিলো না! বরং ওকে এতো আদর করলো যে ধ্রুবর মনেই হলো না ও কোন ভুল করছে! আদর ফিরিয়ে দিয়ে ধ্রুবও ভালোবাসলো সুধাকে। কিন্তু এরপর!! কি হবে? সুধার যদি কোন সমস্যা হয়? সুধা কি করবে? বাসায় তো সুধার কোন মহিলা গার্ডিয়ানও নেই!! সুধা কিভাবে সামলাবে নিজেকে?
সুধার চিন্তায় অস্থির হয়ে গেলো ধ্রুব। বাসায় সবাই ফিরলে জানালা দিয়ে কয়েকবার উঁকি দিয়ে সুধাকে দেখার চেষ্টা করলো ধ্রুব। না, জানালা খোলা কিন্তু সুধা নেই! সুধা কি কিছু করে বসবে? সুইসাইড বা এমন কিছু, চিন্তায় ধ্রুবর ঘুম উবে গেলো!

অদ্ভুতভাবে সুধার কোন চিন্তাই হলো না। বরং মনে হতে লাগলো, এটাই ও চেয়েছিলো, গুনগুন করে গান গাইতে গাইতে লম্বা শাওয়ার নিয়ে ফেলে সুধা। তারপর খিচুড়ি চাপিয়ে বই নিয়ে বসে পরে। কোন বিপদের চিন্তাও ওর মাথায় আসে না।

##

সাধারণত প্রথমবার অপ্রত্যাশিত শারিরীক সম্পর্কের পরে মেয়েরা দুশ্চিন্তায় পড়ে কিন্তু ধ্রুবর ক্ষেত্রে উল্টো হলো। তার কেবলি চিন্তা হতে লাগলো সুধার জন্য। বারবার সুধাকে এক নজর দেখার জন্য মন উতলা হতে লাগলো।
ওর সাথে কথা বলতে হবে তো, মেয়েটা কি করবে, কোন সমস্যা হয় যদি।
ধ্রুব ঠিক করে ফেললো সুধা কখন কোথায় যায় এটা সে ফলো করবে। মাথায় চিন্তা ঢুকে গেলো, সুধা যদি কনসিভ করে, তাহলে মেয়েটা কি করবে! এতো বাচ্চা মেয়ে, ও কি বুঝবে কি করতে হবে না হবে, তারপর যদি ওর বড় কোন ক্ষতি হয়ে যায়! ওকে যে একটু বুঝিয়ে বলবে, তার কোন উপায় নেই। এসব বিষয়ে তো হুট করে কথা বলা যায় না, একটু স্পেস দরকার। ধ্রুব চিন্তা করে আমার মতো মনে হয় একটাও গাধা আর পোড়াকপাল আর কারো নাই, কোন সম্পর্ক নাই, হুট করে ওই বিষয়টা হয়ে গেলো! আর সুধাও কেমন, একটু কান্না কাটি করলো না, বাঁধা দিলো না! কারো সাথে বিষয়টা শেয়ারও করা যাচ্ছে না। হয়ত প্রেম না থাকলেও অন্য কোন টান আছে, হয়ত মেয়েটাকে মনে মনে পছন্দ করতো! প্রচন্ড চিন্তা হচ্ছে, সুধাকে সামনে আনা যাবে না। ধ্রুবকেই সবটা সামলাতে হবে।
কেমন আজিব মেয়েরে বাবা, কোন চিন্তা ভাবনা নেই! আচ্ছা সুধা কি ওকে পছন্দ করে, পছন্দ না করলে, এতো স্বতঃস্ফূর্তভাবে কাছে এলো কেন! ধ্রুব সুধাকে নিয়ে দুয়েকবার ভাবেনি তা নয়, কিন্তু সেটা প্রেম নয়, এমনিতে মেয়েটা একটু ডেসপারেট, দেখতে সুন্দর, সেটা চোখে পড়েছে! আচ্ছা সুধাকে নিয়ে এই কয়েকটা দিন এতো ভেবেছে, কই রথির কথা তো এতো মনে হয়না কখনো! রথির সাথে কি আসলেই ধ্রুবর কোন মনের সম্পর্ক আছে, ধ্রুব বুঝতে পারছে না একদম!

শানজানা আলম
 

লেখালেখির অভ্যাস বাবার কাছ থেকে পাওয়া। তিনি গল্প বলেন, নিজের চারপাশের কথাগুলোই লিখে দৃশ্যমান করার চেষ্টা চলে অবিরাম। প্রফেসর বাবা এবং স্কুল শিক্ষিকা মায়ের বড় সন্তান এবং একমাত্র মেয়ে। শানজানা আলমের লেখার সবচেয়ে ভালোদিক হচ্ছে তার গল্প বলার সহজ সাবলীল ভঙ্গি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগ থেকে পড়াশোনা শেষ করে এখন সময় কাটে লেখালেখি নিয়ে। তার প্রকাশিত গল্পগ্রন্থ "চন্দ্রাহত" "নিশীথ রাতের বাদল ধারা" ‘রূপকথা নয়’ ইতিমধ্যেই বেশ পাঠকপ্রিয়তা পেয়েছে।

Click Here to Leave a Comment Below 2 comments